অসহায় মানুষ আর সহায়তার মাঝে একটি সেতু
সেতু বন্ধন ফাউন্ডেশন নড়াইলভিত্তিক একটি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকা, নারীর সমঅধিকার, সংস্কৃতি ও জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে আমরা সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সঙ্গে কাজ করি — সবসময় সমাজের সঙ্গে মিলে, সমাজের হয়ে নয়।
- অলাভজনক, অরাজনৈতিক ও অসাম্প্রদায়িক সংগঠন
- সমাজসেবা অধিদফতরে নিবন্ধিত
- প্রতিটি অনুদানের রসিদ ও নিরীক্ষিত হিসাব
- স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে স্বচ্ছ নির্বাচন
ছয়টি কর্মসূচি, একটিই উদ্দেশ্য
আমাদের কাজ ছয়টি কর্মসূচিতে বিভক্ত। একটি পরিবারই একাধিক কর্মসূচির আওতায় আসতে পারে — কারণ দারিদ্র্য, অসুস্থতা, শিক্ষা ও জলবায়ু কখনোই আলাদা সমস্যা নয়।
সাংস্কৃতিক ও মানব উন্নয়ন
সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা, তারুণ্যের নেতৃত্ব ও জীবনদক্ষতা প্রশিক্ষণ — যা আত্মবিশ্বাস, মূল্যবোধ ও সম্প্রীতির বোধ গড়ে তোলে।
বিস্তারিত
আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন
বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, স্বকর্মসংস্থান সহায়তা, সঞ্চয় দল ও জরুরি ত্রাণ — যা পরিবারকে টিকে থাকা থেকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যায়।
বিস্তারিত
জেন্ডার ও নারীর ক্ষমতায়ন
নারী ও কিশোরীদের জন্য আয়মুখী দক্ষতা, আইনি সচেতনতা, সহিংসতা থেকে সুরক্ষা এবং নেতৃত্বের সুযোগ।
বিস্তারিত
পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
বৃক্ষরোপণ, নিরাপদ পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ প্রস্তুতি ও জলবায়ু সচেতনতা — নদী-নির্ভর জনগোষ্ঠীর জন্য।
বিস্তারিত
কৃষি ও স্বাস্থ্য কর্মসূচি
ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তা, নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি, বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা।
বিস্তারিত
প্রতিষ্ঠাতার বাণী
প্রতিষ্ঠাতার পরিচিতি
বিজয় দে – মানবতার সেবায় নিবেদিত এক দূরদর্শী নেতা
প্রারম্ভিক জীবন ও শৈশব: ১৯৮৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নড়াইল জেলার নড়াইল সদর উপজেলার কালরা ইউনিয়নের (ওয়ার্ড নং ৮) আগদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বিজয় দে। তিনি এমন এক সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠেন যেখানে সহানুভূতি ও সেবার মূল্যবোধকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হতো। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মধ্যে সৃজনশীলতা, অদম্য মনোবল এবং অন্যদের সাহায্য করার সহজাত প্রবণতা লক্ষ্য করা যেত। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুবাদে তিনি দারিদ্র্য ও বৈষম্যের কঠোর বাস্তবতা প্রত্যক্ষ করেন, যা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি তাঁর মনে গভীর সহমর্মিতা ও সংবেদনশীলতা গড়ে তোলে। শিক্ষা ও বিকাশ: পড়াশোনার পাশাপাশি বিজয় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, প্রকৃত অগ্রগতি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের ওপর নির্ভর করে না, বরং তা সামগ্রিক ও সম্মিলিত উন্নয়নের মাধ্যমেই অর্জিত হয়। ছাত্রাবস্থাতেই তিনি অনুধাবন করেন যে, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন হলো টেকসই সামাজিক পরিবর্তনের মূল ভিত্তি। এই উপলব্ধিই তাঁকে নিজ সম্প্রদায়ের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে অনুপ্রাণিত করে। সমাজসেবার অনুপ্রেরণা: সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনসংগ্রাম দেখে বিজয় প্রায়ই নিজেকে প্রশ্ন করতেন, "সবাই কেন সমান সুযোগ পায় না?" এই প্রশ্নটিই তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য বা মিশনের চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়। সময়ের সাথে সাথে তিনি বুঝতে পারেন যে, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটানোর জন্য একটি সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম বা সংস্থার প্রয়োজন। 'সেতু বন্ধন ফাউন্ডেশন'-এর প্রতিষ্ঠাতা: সমাজে সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং সবচেয়ে অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে, ২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি বিজয় দে 'সেতু বন্ধন ফাউন্ডেশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নেতৃত্বে এই ফাউন্ডেশন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজ এটি আশার এক সেতুবন্ধন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, যা দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষকে মর্যাদার সাথে ও সমান অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার শক্তি জোগাচ্ছে। এক দূরদর্শী নেতা: বিজয় দে কেবল একজন সমাজকর্মীই নন—তিনি এক স্বপ্নদ্রষ্টা, সংস্কারক এবং মানবহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। তিনি বিশ্বাস করেন যে, সুযোগের সমান প্রাপ্যতা ছাড়া কোনো সমাজই প্রকৃত অগ্রগতি অর্জন করতে পারে না। 'সেতু বন্ধন ফাউন্ডেশন'-এর মাধ্যমে তিনি ইতিবাচক পরিবর্তনকে অনুপ্রাণিত করে চলেছেন এবং একটি ন্যায়পরায়ণ, শিক্ষিত ও সহানুভূতিশীল সমাজ গঠনের লক্ষ্যে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আমরা যেখানে কাজ করি
আমাদের কার্যক্রম মূলত নড়াইল জেলা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে কেন্দ্রীভূত, যেখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা বসবাস ও কাজ করেন।
আজই একটি পরিবারের পাশে দাঁড়ান
একটি বৃত্তি, একটি সেলাই মেশিন, একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প কিংবা এক বস্তা ত্রাণ — প্রতিটির শুরু একজন মানুষের সাহায্য করার সিদ্ধান্ত দিয়ে। বিকাশ বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে দান করুন, আমরা রসিদ পাঠিয়ে দেব।
কেবল অর্থ নয়, সময়ও দিন
শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, আইটি পেশাজীবী, কৃষক — আমাদের কাজের কোথাও না কোথাও প্রতিটি দক্ষতাই প্রয়োজন। আপনি কী দিতে পারেন জানান, আমরা উপযুক্ত জায়গাটি খুঁজে দেব।